অনপেজের প্রান বলেন বা এস ই ও এর প্রান বলেন,
কি-
ওয়ার্ড
রিসার্চ
হচ্ছে
মুল। অনলাইনের প্রান হচ্ছে এস ই ও আর এস ই ও এর প্রান হচ্ছে কি- ওয়ার্ড রিসার্চ। তাই কি- ওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে খুব ভাল ভাবে জানতে হবে। কি- ওয়ার্ড রিসার্চ এর গুরুত্ব আমি পূর্বের পোষ্টে আলোচনা করছি। আজ দেখাব কিভাবে একটি সফল কি- ওয়ার্ড রিসার্চ করা যাই। কি- ওয়ার্ড রিসার্চ এর আলোচনাতে আসতে গেলে প্রথমে ণিচের (Niche) এর আলোচনা করতে হই।
Niche হচ্ছে আমি কোন বিষয়ের উপর আমার সাইট টা লিখব। Niche সিলেক্ট একটা অনেক বড় চিন্তার বিষয়। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি কোন বিষয়ের উপর সার্চ হচ্ছে সেই চিন্তা ভাবনা করে Niche সিলেক্ট করতে হবে। এক কথাই বলা যাই যে, বর্তমানে ভিজিটরদের চাহিদা কোন বিষয়ের উপর। এইটার উপর একটু রিসার্চ করতে হবে। নিজে যদি কনফিউজ হয়ে যান। তাহলে আপনার মনে যেইটা সম্পর্কে জানতে ইচ্ছা করছে সেইটা সম্পর্কে রিসার্চ করা হচ্ছে কি- ওয়ার্ড রিসার্চ। আমরা Niche সম্পর্কে নিশ্চয় বুঝতে পারছেন। এখন আমি কি- ওয়ার্ড রিসার্চ এর কিভাবে করতে হবে সেইটা দেখাব।
স্টেপঃ ১
এই লিঙ্কে https://adwords.google.com/o/KeywordTool
চলে যান, নিচের পেজের মত দেখতে হবে।
স্টেপঃ ২
মনে করেন আপনি অনলাইন ইনকাম (Online Income) এর এই কি- ওয়ার্ড টা সম্পর্কে জানতে চান। তাহলে নিচের পেজটার মত ঘর গুলা পুরন করেন। আমি মার্ক করে দেখাই দিছি।
এখানে আপনি
ক্যাটাগরি দিতেও পারেন আবার নাও পারেন। না দিলে কোন অসুবিধা নেই।
স্টেপঃ ৩
এবার সার্চ (Search) বাটনে ক্লিক করুন। দেখুন নিচের পেজটার মত দেখাবে।
লক্ষ্য করুন এখানে কিন্তু আপনার কি- ওয়ার্ড এর ৩ টি বিশ্লেষণ দেওয়া আছে।
১) এই কি- ওয়ার্ড এর কম্পিটিশন কেমন ? ২) প্রতি মাসে কি পরিমান গ্লোবাল সার্চ দেওয়া হয় ৩) লোকাল সার্চ কি পরমান দেওয়া হয় ?
Online Income এর
কম্পিটিশন মিডিয়াম। তার মানে খুবই পাওয়ার ফুল একটা কি- ওয়ার্ড। কারন কম্পিটিশন হয় ৩ ভাবে লো, মিডিয়াম, হাই। এই টা মিডিয়াম তার মানে এই কি- ওয়ার্ড এ প্রচুর ভিজিটর আসে। আমরা দেখছি ২৪৬,০০০ জন ভিজিটর প্রতিমাসে সার্চ দেই। আপনি একটু চিন্তা করেন যদি আপনার সাইট ১ নাম্বারে থাকে তাহলে প্রতি মাসে আপনার সাইট এর একটা কি- ওয়ার্ড এর জন্য ভিজিটর আসবে ওই পরিমান। আর সাইট এ যখন ভিজিটর আসবে প্রচুর তখন ইনকাম ও আসবে সেই পরিমান। এই রকম যদি আপনি ২ টা কি- ওয়ার্ড কে আপনি সার্চ ইঞ্জিন এর ১ নাম্বার পজিশনে আনতে পারেন। তাহলে প্রতি মাসে আপনার সাইট এর ভিজিটর আসবে কি পরিমান এইটা আপনি ভাবেন। তাই আমি আপনাদেরকে বলব সাইট এ কাজ করার পূর্বে কি- ওয়ার্ড রিসার্চ এর গুরুত্ব বা প্রাধান্য দিতে হবে আগে।
দেখেন আপনার মুল কি- ওয়ার্ড এর পাশাপাশি রিলেটেড আর ও কিছু কি- ওয়ার্ড দেওয়া আছে। আপনি ইচ্ছা করলে সেখান থেকে ও কি - ওয়ার্ড চুজ করতে পারেন। এই ভাবে একটা কি- ওয়ার্ড এর উপর বিভিন্ন ধরনের বিশ্লেষণ করা যাই। এতে আপনার সঠিক কি- ওয়ার্ড বাছাই করতে সুবিধা হবে। এবং পরিপূর্ণ একটা সমাধান পাবেন।
কি- ওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে জানার আগে আপনি আমাকে বলেন কেন আপনি এস ই ও করবেন ? কেন আপনি এস ই এম করবেন ? এক কথাই কেন আপনি আপনার সাইট এর জন্য অ্যাডভারটাইজিং করবেন ? উত্তর দিবেন ভিজিটরের জন্য তাই ত। আসলে উত্তর সঠিক। এত কষ্ট করা সুধু সাইট প্রচুর পরিমানে ভিজিটরের আনার জন্য। আর প্রচুর পরিমানে ভিজিটর আসলে আপনার ইনকাম ও বাড়তে থাকবে। সবচেয়ে প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর দেই সার্চ ইঞ্জিন। আর সার্চ ইঞ্জিন এ মানুষ তাদের নিজস্ব একটা কি- ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দেন। এখন কিছুটা মনে হই বুঝতে পারছেন কি- ওয়ার্ড এর গুরুত্ব কততুকু। আরও একটু বলি তাহলে কি- ওয়ার্ড রিসার্চ এর গুরুত্ব টা বুঝতে পারবেন।
ধরুন আপনার একটা ওয়েব সাইট আছে, সাইট টা অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে। এখন মানুষ আপনার সাইট এ আসার জন্য সার্চ ইঞ্জিন এ কি Entertainment World লিখে সার্চ দিবে । কখন
দিবে না, সে হইত সার্চ দিতে পারে, Earn For Online,
Make Money Online, Online earn Tips ইত্যাদি।
সুতরাং তারা একটা রিলেটিভ কি- ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিবে। এখন আপনার কাজ হচ্ছে আসলে আমার সাইট টা ত অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে । আপনি
চিন্তা করেন মানুষ অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে জানতে সার্চ ইঞ্জিন এ কি লিখে সার্চ দিতে পারে। আর আপনার চিন্তা সঠিক কি না সেইটা সম্পর্কে রিসার্চ করা কে কি- ওয়ার্ড রিসার্চ বলে। আর এই কি- ওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য কত গুলা সাইট আছে যারা আপনার কি- ওয়ার্ড আর খুঁটিনাটি সব কিছু জানাতে হেল্প করে। এতে করে সুবিধা হবে আপনার। আপনি একটা সঠিক কি- ওয়ার্ড বাছাই করতে পারবেন। আর সেই কি- ওয়ার্ড কে সঠিক ভাবে ইউটিলাইজ করতে পারলে আপনার সাইট পাওয়ার ফুল। আপনার সাইট পাওয়ার ফুল ত আপনি ও পাওয়ার ফুল। এখন হইত ক্লিয়ার ভাবে বুঝতে পারছেন কি- ওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে।
কি-ওয়ার্ড রিসার্চ আসলেই কতটা জরুরী ও গুরুত্তপূর্ণ একটি বিষয় তা হইত আপনাদের বুঝাতে পারব না। আপনার কি- ওয়ার্ড রিসার্চ যদি সঠিক না হই তাহলে আপনার সাইট ফ্লপ খাবে। দেখবেন সার্চ ইঞ্জিন এ প্রথমে আপনার সাইট কিন্তু ভিজিটর নেই। এই জন্য সর্ব প্রথম কি- ওয়ার্ড রিসার্চ আর উপর গুরুত্ব দিতে হবে।
কি- ওয়ার্ড রিসার্চ এর জনপ্রিয় ২ টি সাইট আর নাম দিলাম। আজ কাজ দেখাব না পরবর্তী টিউনে আল্লাহ্ বাচাই রাখলে কাজ দেখাব।
১। Google
Adwords Keyword Tool – adwords.google.com
২। Wordtrackerkeyword
suggestion tool -- freekeywords/
কি-
ওয়ার্ড
এর
ব্যবহারঃ
কি-
ওয়ার্ড কোথায় কোথায় ব্যবহার করতে হয় নিচে দিয়ে দিলাম। জিনিস গুলা মনে রাখেন। সাড়া জীবন কাজে লাগবে। এস ই ও নিয়ে যতক্ষণ আছেন কি- ওয়ার্ড ততক্ষন আছে আপনার সাথে। এই জন্য কি- ওয়ার্ড কে গুরুত্ব দিতে হবে।
১) ডোমেইন এর নামঃ আপনার সাইট এর নাম কি হবে এইটার উপর নির্ভর করে অনেক কিছু। সাইট এর নাম যদি একজন ভিজিটর এসে না মনে রাখতে পারে তাহলে সেই সাইট বানানোর কোন যুক্তি আসে না। এর এমন নাম দিতে হবে যেন আপনার সাইট এর টপিকস রিলেটেড হই। সার্চ ইঞ্জিন প্রথম সার্চ করার সময় ডোমেইন ইউ আর এল (Domain URL) সার্চ করে। এই জন্য ডোমেইন নাম এর প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। ডোমেইন নাম জন্য কি-ওয়ার্ড রিসার্চ বড় একটা ফ্যাক্টর।
২) ওয়েব সাইট এর টাইটেলঃ সাইট এর টাইটেল এর জন্য কি-ওয়ার্ড রিসার্চ সেইরকম গুরুত্ব। আপনার সাইট এর টাইটেল যদি সঠিকভাবে ব্যবহার না করতে পারেন তাহলে কপালে অনেক বড় দুঃখ আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। এই জন্য সাইট এর টাইটেলটার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে কঠিন আকারে। টাইটেলে ২ টি সুবিধা একটি সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইট খুজে বের করতে পারে আর একটি ভিজিটর আসে যাতে আপনার সাইট আর গুড ফিডব্যাক দিতে পারে। আর এই জাইগাই ভিজিটর আর গুড ফিডব্যাক হচ্ছে আপনার জন্য পজিটিভ। যখন ভিজিটর গুড ফিডব্যাক দিচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন আপনারে আরও উপরে উঠতে সাহায্য করবে। এই জন্য টাইটেল টার প্রতি নজর রাখতে হবে। টাইটেল নির্বাচন এর ক্ষেত্রে একটা অঙ্ক আছে, যেইটা বলব না। বললে ত সব জেনে যাবেন। হা হা হা হা। যাই হোক পরবর্তী টিউনে লিখব অঙ্ক টা।
৩) আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রেঃ আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে কিওয়ার্ড বড় একটা ভুমিকা পালন করে। প্রতি ১০০ ওয়ার্ড এ মিনিমাম+মাক্সিমাম ৩ বার কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। এতে করে আপনার পোস্ট+সাইট এর জন্য উপকার হই। আমি যে টিউনটা টা লিখলাম আজ,(সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৭] :: কি- ওয়ার্ড রিসার্চ-০১ ) এই পোস্ট টা তে দেখেন আমি কতবার কি-ওয়ার্ড শব্দটা ব্যবহার করেছি। ১-২ দিন পর বাংলাই গুগলে কি-ওয়ার্ড লিখে সার্চ দিবেন দেখবেন আমার পোস্ট টা গুগল এর প্রথম পাতাই ১-৩ এর মধ্যে আছে। একটাই কারন দেখেন আমি এই আর্টিকেল আমি অনেকবার কি-ওয়ার্ড শব্দটা ব্যবহার করেছি।আমি হাইলাইট করে দিছি কি-ওয়ার্ড গুলা। এই জন্য আর্টিকেল লেখার সময় পোস্ট টা যে বিষয় নিয়ে লেখা সে বিষয়ের উপর এবং সাইট এর মূল যে কি-ওয়ার্ড আছে সেইটার উপর কিছু কি-ওয়ার্ড দিতে হবে। তবে অবশ্যই ১০০ ওয়ার্ড এ ৩ টা কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।
৪) মেটা ট্যাগের ক্ষেত্রেঃ মেটা ট্যাগ নিয়ে পরবর্তীতে একটা পোস্ট হবে। যারা জানেন না মেটা ট্যাগ কিভাবে দিতে হই। শিখিয়ে দিব ।